ঢাকা, সোমবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২০ , , ১ জমাদিউস সানি ১৪৪১

চট্টগ্রাম-৮ আসনের উপনির্বাচনের সংবাদ সংগ্রহের জন্য গণমাধ্যমকর্মীদের পাস নিয়ে অন্তহীন ভোগান্তি

সেলিম চৌধুরী । সি এন এন বাংলাদেশ

আপডেট: জানুয়ারি ১২, ২০২০ ১০:৩৭ দুপুর

চট্টগ্রাম-৮ আসনের উপনির্বাচনের সংবাদ সংগ্রহের জন্য গণমাধ্যমকর্মীদের পাস নিয়ে নির্বাচন কমিশনে এবারও অন্তহীন ভোগান্তি। পাস কার্ড সংগ্রহ করতে গিয়ে ভোগান্তিতে পড়ে প্রতিবাদ জানিয়েছেন গণমাধ্যমকর্মীরা। প্রতিবাদের মুখে সমস্যা সমাধানের আশ্বাস দিয়ে সময় চেয়ে নিয়েছেন নির্বাচন কর্মকর্তারা।

রোববার (১২ জানুয়ারি) বিকেল ৪টায় সরেজমিনের আঞ্চলিক নির্বাচনী কর্মকর্তার কার্যালয়ে গিয়ে দেখা যায়, অপেক্ষমাণ সাংবাদিকদের তোপের মুখে নিজের কক্ষ ত্যাগ করেন সহকারী নির্বাচনী কর্মকর্তা বশির আহমদ। পরে আঞ্চলিক নির্বাচনী কর্মকর্তা ও রিটার্নিং অফিসার মোহাম্মদ হাসানুজ্জামানের আশ্বাসের প্রেক্ষিতে ক্ষোভ প্রশমিত হয়।

মোহাম্মদ হাসানুজ্জামান বলেন, ‘ঢাকা থেকে আমাদের পাস কার্ড কম দেওয়া হয়েছে। আমরা আবার কার্ডের চাহিদা জানিয়েছি, রাত ৯টার মধ্যে পেয়ে যাবো। এই সমস্যা তখন আর থাকবে না।’

সাংবাদিক সাইদুল ইসলাম জানান, ‘আমাদের ৪ জনের পাস কার্ডের চাহিদা দেওয়া হলে মাত্র একটা কার্ড ইস্যু হয়। সহকারী নির্বাচনী কর্মকর্তা বশির আহমদের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, একটা নিয়ে চলে যান। এতজনের পাস দিয়ে কী হবে? রোহিঙ্গা এনআইডি কার্ড কেলেঙ্কারিতে অভিযুক্ত এই কর্মকর্তা আমাকে পরামর্শ দিয়েছেন ফটো সাংবাদিকের পরিবর্তে মোবাইলে ছবি তুলতে।’

চট্টগ্রামের স্থানীয় পত্রিকা দৈনিক পূর্বকোণ ফটো সাংবাদিকসহ ৫ জনের পাস কার্ডের চাহিদা দিলেও তাদের মধ্য থেকে মাত্র ৩ জনের কার্ড ইস্যু হয়। চ্যানেল২৪ চট্টগ্রাম ব্যুরো দুটি টিমের জন্য চার জনের পাস কার্ডের চাহিদা দিয়েছিল। তাদের ইস্যু করা হয়েছে দুটি। দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড, ডেইলি সান, ভোরের কাগজসহ বিভিন্ন জাতীয় দৈনিকের চট্টগ্রাম ব্যুরোর জন্য মাত্র একজনের পাস ইস্যু হয়েছে। ডেইলি অবজারভারসহ বিভিন্ন জাতীয় দৈনিকের কোন প্রতিনিধির জন্য কার্ডই ইস্যু হয়নি।

তবে মোটরসাইকেলের পাস ইস্যু না করার সিদ্ধান্তে নির্বাচন কমিশন অটল বলেও জানান মোহাম্মদ হাসানুজ্জামান।

একজন জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘কলঙ্কিত নির্বাচন আয়োজন করার জন্যই সাংবাদিকের কলমে লাগাম পরাতে চায় নির্বাচন কমিশন নিজেই।’

বাংলাদেশ ফটো জার্নালিস্ট এসোসিয়েশন, চট্টগ্রামের সভাপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমান  বলেন, ১৭০টা ভোট কেন্দ্র মোটর সাইকেল ছাড়া কভার করা কিভাবে সম্ভব? এটা একটা হটকারি সিদ্ধান্ত। একটা গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের স্বার্থে সংবাদ কর্মীদের বিষয়ে নির্বাচন কমিশন বুঝে শুনে সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত।

সাংবাদিক হেলাল বলেন দুইদিন আগে কাডের জন্য জমা দিয়ে ছিলাম এখন পাইল গায়ব নির্বাচন আসলে সংবাদ কর্মীদের ভোগান্তি

চট্টগ্রাম ফটো জার্নালিস্ট এসোসিয়েশনের সভাপতি দিদারুল আলম বলেন, মোটরসাইকেল ছাড়া ফটো জার্নালিস্টদের মুভ করা সম্ভব নয়। নির্বাচন কমিশনে আমরা আলাপ করেছি, বিষয়টি ভেবে দেখার আশ্বাস দিয়েছেন।




%d bloggers like this: