ঢাকা, সোমবার, ১ জুন ২০২০ , , ৯ শাওয়াল ১৪৪১

দুর্যোগের সময় এলাকায় না থাকায় তিন চেয়ারম্যানকে শোকজ

কুমিল্লা মুরাদনগর । সি এন এন বাংলাদেশ

আপডেট: এপ্রিল ৩, ২০২০ ৮:২৪ সকাল

[addtoany]

কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলার তিনটি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানকে শোকজ করেছেন কুমিল্লা জেলা প্রশাসক।

বর্তমানে করোনা ভাইরাস পরিস্থিতি মোকাবেলায় সরকারের ত্রাণ বিতরনের সময় নিজ নিজ ইউনিয়নে উপস্থিত না থাকার কারণে কুমিল্লার জেলা প্রশাসক আবুল ফজল মীর বুধবার (১ এপ্রিল) তিন ইউনিয়ন চেয়ারম্যানকে শোকজ নোটিশ দিয়েছেন।

শোকজ পাওয়া তিনজন চেয়ারম্যান হলেন আকুবপুর ইউপি’র বাবুল আহম্মেদ মোল্লা, রামচন্দ্রপুর উত্তরের সফু মিয়া সরকার ও বাবুটিপাড়ার জাকির হোসেন মুন্সী।তাদেরকে সাত দিনের মধ্যে জবাব দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এ সংবাদ লেখা পর্যন্ত একজন ইউপি চেয়ারম্যানগণ এখনও ঢাকায় অবস্থান করছেন।

সরেজমিনে গিয়ে আকুবপুর, রামচন্দ্রপুর উত্তর ও বাবুটিপাড়া ইউনিয়নের বিভিন্ন লোকজনের সাথে কথা হলে তারা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, পাশের অন্যান্য ইউনিয়নে শ্রমজীবীদের তালিকা করে বিভিন্ন নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র বিতরণ করলেও আমাদের এলাকায় সরকারি বরাদ্দ এখনো পাইনি।

আকুবপুর ইউপি চেয়ারম্যান বাবুল আহম্মেদ মোল্লা বলেন, আমার হার্টের সমস্যার কারণে ঢাকায় চিকিৎসা নিতে যাই। পরে লকডাউনে গণপরিবহন বন্ধ হয়ে যাওয়ায় আটকা পরি।

রামচন্দ্রপুর উত্তর ইউপি চেয়ারম্যান সফু মিয়া সরকার মুঠো ফোনে তিনিও অসুস্থ্যতার কারণে ঢাকায় রয়েছেন বলে জানান।

বাবুটিপাড়া ইউপি চেয়ারম্যান ও সাউথইষ্ট ব্যাংক কর্মকর্তা জাকির হোসেন মুন্সী বলেন, এতদিন ঢাকায় ছিলাম। শোকজ পেয়ে এলাকায় আসি। আজ শ্রমজীবীদের তালিকা মোতাবেক খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করছি।

উল্লেখ্য, মুরাদনগর উপজেলার ২২ ইউনিয়নে খাদ্যসামগ্রী বিতরণের সময় ওই তিন ইউপি চেয়ারম্যানকে এলাকায় না পেয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অভিষেক দাশ বিষয়টি গত ৩০ মার্চ জেলা প্রশাসককে লিখিত ভাবে অবহিত করেন।

এ বিষয়ে মুরাদনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অভিষেক দাশের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, জনপ্রতিনিধি হয়েও তারা এলাকায় নেই। অথচ বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন ও সুশীল সমাজের লোকজন কর্মজীবী মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে। বৃহস্পতিবার আকুবপুর ইউপি চেয়ারম্যান বাবুল আহম্মেদ মোল্লা এসে তার এলাকার শ্রমজীবী মানুষের তালিকা দিয়েছে। অন্য দু’জন চেয়ারম্যান এখনো যোগাযোগ করেনি।