ঢাকা, শনিবার, ৪ জুলাই ২০২০ , , ১৩ জ্বিলকদ ১৪৪১

প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষায় প্রশ্ন ফাঁসের চেষ্টা : আটক ১০

এম শিমুল খান, গোপালগঞ্জ : । সি এন এন বাংলাদেশ

আপডেট: নভেম্বর ১২, ২০১৯ ৩:৪৮ দুপুর

[addtoany]

গোপালগঞ্জ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (বশেমুরবিপ্রবি) এর ২০১৯-২০ শিক্ষা বর্ষের স্নাতক (সম্মান) প্রথম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নফাঁস চেষ্টাকারী চক্রের ১০ সদস্যকে আটক করা হয়েছে। শনিবার বিকাল ৩ টায় এ ইউনিটের পরীক্ষার পূর্বে এই সিন্ডিকেটের ২ সদস্যকে সর্ব প্রথম আটক করে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন। এরপর অভিযান পরিচালনা করে ওই চক্রের বাকী সদস্যদের আটক করা হয়।
পূর্ব তথ্য অনুযায়ী এই অভিযান পরিচালনা করে রাষ্ট্রীয় গোয়েন্দা সংস্থার ( এনএসআই) একটি টিম। পরীক্ষার দুই ঘণ্টা পূর্বে প্রশ্নের সমাধান দেওয়ার খবরে অভিযান পরিচালনা করে ৫ জন পরীক্ষার্থী সহ হাতে নাতে প্রশ্নফাঁস চক্রের ২ সদস্যকে আটক করেন তারা। এর আগে শুক্রবার রাত ১১ টার দিকে শিমুলের (ছদ্মনাম) ছোট ভাইকে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি করিয়ে দেওয়ার জন্য ফোনালাপে চুক্তিবদ্ধ হয় রনি নামের আটককৃত বিশ্ববিদ্যায়ের এক শিক্ষার্থী। এ সময় সে (রনি) ৩ লাখ ৫০ হাজার টাকার বিনিময়ে এ ইউনিটের পরীক্ষার দুই ঘন্টা পূর্বে প্রশ্নের সমাধান করিয়ে দিবেন বলে আশ্বস্ত করেন। এরপর শিমুল বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অবহিত করে।
পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী রনির সাথে শিমুল দেখা করতে গেলে অভিযান চালায় রাষ্ট্রীয় একটি গোয়েন্দা সংস্থা এবং বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। এ সময় বিজয় দিবস হলের ৫১২ নম্বর রুম থেকে জমাকৃত পরীক্ষার্থীদের কাগজ পত্রের মূল কপি এবং ৫ পরীক্ষার্থীসহ চক্রটির সদস্যদের আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।
আটককৃতদের মধ্যে ৫ সদস্য বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী বলে জানা গেছে। তারা হলেন, সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র রণি খান, ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের তৃতীয় বর্ষের ছাত্র নয়ন ও নেয়ামুল, আইন বিভাগের তৃতীয় বর্ষের ছাত্র অমিত গাইন এবং দ্বিতীয় বর্ষের মানিক মজুমদার।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ড. রাজিউর রহমান, ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, আটককৃত চক্রের সকল সদস্যকে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হাতে তুলে দেয়া হয়েছে।