ঢাকা, রোববার, ১৫ ডিসেম্বর ২০১৯ , , ১৭ রবিউস সানি ১৪৪১

ভুল চিকিৎসায় মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছে ইয়ামিন

স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট । সি এন এন বাংলাদেশ

আপডেট: নভেম্বর ৭, ২০১৯ ১২:০১ দুপুর

চট্টগ্রাম :: ভুল চিকিৎসায় মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছে ইয়ামিন (১২) নামের এক বালক। বর্তমানে ঢাকার এ্যাপোলতে জীবন মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে ইয়ামিন। ইয়ামিন ছোটপুল ব্রীক ফীল্ড রোড এলাকার ইয়াকুব এর ছেলে।

তার চাচা বাবুল জানায়, গত ৩১ অক্টোবর স্কুলে ছিলো ইয়ামিন। হঠাৎ চোখে যন্ত্রনা শুরু করলে বাসায় চলে আসে। ওইদিন স্থানীয় ডাঃ সৈয়দ মোহাম্মদ মাহাম্মদ জাফর হোসাইনকে দেখানো হয়। বাবুলের অভিযোগ কোন রকম পরীক্ষা নিরীক্ষা ছাড়াই এন্টিবায়েটিক ঔষধ প্রয়োগ করে ডাক্তার। ঔষধ খ্ওায়ার পর পুরো শরীর লাল বিচি দেখা দেয়। অসহ্য যন্ত্রনায় চিৎকার করতে থাকে ইয়ামিন। পরবর্তীতে ইসলামিক ব্যাংক হাসপাতাল এরপর ২ নভেম্বর আগ্রাবাদ মা ও শিশু হাসপাতালে আইসিইউতে ভর্তি করানো হই। কর্তব্যরত চিকিৎসকরা জানান রোগীর অবস্থা গুরুতর। এরপর ৪ নভেম্বর ঢাকা এ্যাপোলে হাসপাতালে নেয়া হয়।

চট্টগ্রাম এবং ঢাকার বিশেষজ্ঞ ডাক্তারা বলেছেন ঔষধের পাশ্বপ্রতিক্রিয়া বা সাইডএফেক্ট কিংবা ভুল চিকিৎসা হওযার কারণে এই অবস্থা হয়েছে। এদিকে ডাঃ সৈয়দ মোহাম্মদ মাহাম্মদ জাফর হোসাইন এর বিরুদ্ধে হালিশহর থানায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইয়ামিনের পরিবারের পক্ষ থেকে।

এই ব্যাপারে যোগাযোগ করা হলে হালিশহর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওবায়দুল হক বলেন, বিষয়টি খুবই দু:খজনক। আমরা এই ব্যাপারে তদন্ত করে দেখছি।

ইয়ামিন ছোটপুল সিটি স্কুলের ৫ম শ্রেনীর ছাত্র। আগামী ১৭ নভেম্বর পিএসসি পরীক্ষা দেওয়ার কথা ছিলো তার। এখন মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছে।

 

ঢাকা এ্যাপোলোর চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, ড্রাগ reaction থেকে এই কঠিন রোগ। যার নাম steven johnson syndrome । অ্যাপোলোর ডাক্তররা এমনটিই বলছেন।

প্রসাবের সাথেও রক্ত বের হচ্ছে। আল্লার উপর ভরসা করা ছাড়া কোন উপায় নেই। এমন খবরে ইয়ামিনের পরিবার স্বজন এবং এলাবাসীর মাঝে হতাশা এবং ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।

এদিকে ডাঃ সৈয়দ মোহাম্মদ মাহাম্মদ জাফর হোসাইন এর মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেনি।


%d bloggers like this: