ঢাকা, সোমবার, ২৫ মে ২০২০ , , ২ শাওয়াল ১৪৪১

স্বাস্থ্যবিধি মেনে খোলা থাকবে হোটেল-বেকারি-নিত্যপণ্যের দোকান

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট । সি এন এন বাংলাদেশ

আপডেট: মার্চ ২৮, ২০২০ ১:১৭ দুপুর

[addtoany]

ঢাকা :: স্বাস্থ্যবিধি মেনে ঢাকায় একজন নাগরিক যেকোনো মাধ্যম ব্যবহার করে চলাফেরা করতে পারবেন বলে জানিয়েছেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার মোহা. শফিকুল ইসলাম। একই সঙ্গে পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের ১০টি নির্দেশনা দিয়েছেন তিনি।

এ তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার কৃষ্ণপদ রায়। তিনি বলেন, খাবারের দোকান খোলা থাকা নিয়ে একটা বিভ্রান্তি দেখা দিয়েছে। এই শহরে অনেকেই আছেন, যাঁদের রান্নার সুযোগ নেই। তাঁরা তো আর না খেয়ে থাকতে পারবেন না। তাই খাবারের দোকান খোলা রাখা যাবে। এ ক্ষেত্রে খাবার কিনে বাসায় নিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। কেউ যদি বসে খেতে চান, সেক্ষেত্রে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে হবে। এর বাইরে আরও যে নির্দেশনাগুলো দেওয়া হয়েছে সেগুলো আগেই জারি ছিল।

হোটেল ও বেকারি খোলা রাখাসহ ঢাকায় চলাচলের ক্ষেত্রে পুলিশকে যে বিষয়গুলো জানানো হয়েছে, তা হলো—হোটেল ও বেকারি সচল রাখার জন্য যাঁরা সেখানে কাজ করেন, তাঁদের স্বাধীনভাবে চলাফেরা করার সুযোগ দিতে হবে। নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রীর দোকান খোলা থাকবে, তাঁদের কর্মীদেরও কাজ করার সুযোগ দিতে হবে। একজন ব্যক্তি যেকোনো মাধ্যম ব্যবহার করে রাস্তায় চলাফেরা করতে পারবেন। তবে সে ক্ষেত্রে স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করত হবে।

জরুরি দায়িত্ব পালনে নিয়োজিত চিকিৎসক, নার্স, চিকিৎসা সহকারী ও টেকলোজিস্ট, সিটি করপোরেশন ও নিরাপত্তা প্রহরীদের ব্যাপার বিশেষ যত্নশীল হওয়ারও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তাঁদের বলা হয়েছে, দায়িত্ব পালনের সময় সামাজিক দূরত্ব মেনে পেশাদারী আচরণ করতে।

এ ছাড়া বিভিন্ন এলাকায় রিকশা থামিয়ে জিজ্ঞাবাদ করতে দেখা যায় পুলিশকে। সরকার নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রীর দোকানপাট খোলা রাখার নির্দেশনা দিলেও শুক্রবার পর্যন্ত ঢাকাসহ সারাদেশে এ ধরনের অনেক দোকানই পুলিশ খুলতে দেয়নি বলে অভিযোগ উঠেছে।

পুলিশকে এ ধরনের কাজ থেকে বিরত থাকতে শুক্রবার বার্তা দেন পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মোহাম্মদ জাবেদ পাটোয়ারী। বার্তায় তিনি বলেন, ‘জনজীবন সচল রাখতে চিকিৎসা, ওষুধ, নিত্যপণ্য, খাদ্যদ্রব্য, বিদ্যুৎ, ব্যাংকিং ও মোবাইল ফোনসহ আবশ্যক সব জরুরি সেবার সঙ্গে সম্পৃক্ত ব্যক্তি ও যানবাহনের অবাধ চলাচল নিশ্চিত করুন। দায়িত্ব পালনকালে সাধারণ জনগণের সঙ্গে বিনয়ী, সহিষ্ণু ও পেশাদার আচরণ বজায় রাখুন।

১০টির মধ্যে পুলিশ কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে ৩টি নির্দেশনা রয়েছে। তা হলো- যেকোনো ক্ষেত্রে নাগরিকদের সঙ্গে পেশাদার আচরণ করতে হবে। দায়িত্ব পালনের সময় পুলিশ সদস্যদেরও সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে হবে। এ ছাড়া পুলিশের এমন কোনো ঘটনা তৈরি (সিনক্রিয়েট) করা যাবে না যাতে পুলিশের ভাবমূর্তি ও ভালো কাজগুলো ধূলিসাৎ হয়ে যায়।