শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২০

রাঙ্গুনিয়ায় মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডারের পরিবারের বিরুদ্ধে গায়বী মামলা: এলাকায় ক্ষোভ

সি এন এন বাংলাদেশ

আপডেট: অক্টোবর ১৫, ২০২০ ১৬:০১ পিএম

রাঙ্গুনিয়ায় মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডারের পরিবারের বিরুদ্ধে গায়বী মামলা: এলাকায় ক্ষোভ

নিউজ ডেস্ক : :চট্টগ্রামের রাঙ্গুনীয়া উপজেলায় চলাফেরা করতে অক্ষম প্রয়াত মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডারের স্ত্রী ও তার পরিবারের বিরুদ্ধে ‘গায়েবী’ নারী ও শিশু নির্যাতন মামলা দায়েরে অভিযোগ উঠেছে। মামলার দায়েরের বিষয়টা প্রকাশ্যে আশার পর স্থানীয় জনপ্রতিনিধি থেকে শুরু করে এলাকার গণ্যমান্য মানুষসহ সাধারণ মানুষের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। তারা এ মামলার সুষ্ট তদন্ত দাবি করেছেন।


রাঙ্গুনীয়া উপজেলার সরফভাটা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান শেখ ফরিদ বলেন, ‘যাদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে তারাই বলতে গেলে ভিকটিম। মামলার বাদিই শাশুড়িকে নির্যাতন করতো বলে আমার কাছে অভিযোগ এসেছে। এ বিষয়ে সামাজিক ভাবেও তা মিমাংস করার চেষ্টা করেছি। কিন্তু মামলার বাদির উগ্রতার কারনে তা সমাধান সম্ভব হয়নি।’


রাঙ্গুনীয়া থানার ওসি (তদন্ত) মাহবুব মিল্কি মামলার বিষয়টি স্বীকার করে বলেন, ‘মামলাটি মামলা তদন্ত করছি। তদন্ত যা উঠে আসবে তাই প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হবে।’

স্থানীয়দের অভিযোগের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের মামলায় অনেক ক্ষেত্রে সাজানো অনেক ঘটনা উল্লেখ করা হয়। মামলায় এধরণের সাজানো কিছু রয়েছে কি না তা আমরা খতিয়ে দেখবো।’


জানা যায়, গত ৫ অক্টোবর নাজেহাদ ফারজানা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুন্যালে একটি মামলা দায়ের করেন। যাতে আসামী করা হয় নিজের স্বামী জালাল উদ্দিন, প্রয়াত মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার আহম্মদ মিয়ার স্ত্রী ও বাদির শাশুড়ি মঞ্জুরা বেগম, ননদ তারিন আকতার তারুসহ পাঁচ জনকে। অভিযোগে উল্লেখ করা হয় যৌতুকের জন্য বাদিকে মারধর করে। কিন্তু স্থানীয়দের দাবি এজাহারভুক্ত আসামী জালাল উদ্দিন দীর্ঘদিন ধরে মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থান করছেন। মামলার অপর বিবাদী মঞ্জুরা বেগম দীর্ঘদিন ধরে চলাফেরা করতে অক্ষম এবং চিকিৎসার জন্য ঢাকায় অবস্থান করছেন। মামলার এজাহারে উল্লেখিত তারিখে তিনি ঢাকায় ছিলেন।


এলাকার সর্দার আহমেদ ছবির বলেন, ‘মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডারের পরিবার এলাকায় প্রচুর দান করেন। তারা যৌতুকের জন্য গৃহবধুকে মারধর করতে তা অবিশ^াস্য। যে তারিখে মারধরের কথা উল্লেখ হয়েছে সে তারিখে মামলার আসামীদের কেউ এলাকায় ছিল না। ’