ঢাকা, শুক্রবার, ১৪ আগস্ট ২০২০ , , ২৪ জ্বিলহজ্জ ১৪৪১

করোনায় একদিনে নিহত ৮৬, আক্রান্ত তিন হাজার

নিউজ ডেস্ক, । সি এন এন বাংলাদেশ

আপডেট: ফেব্রুয়ারি ৮, ২০২০ ৩:৩৭ সকাল

[addtoany]

 

করোনাভাইরাসের আক্রমণে দিশেহারা চীন। এখন পর্যন্ত ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব বেড়েই চলেছে। শুক্রবারে চীনে করোনায় নিহত হয়েছেন ৮৬ জন। একইদিনে নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ৩ হাজার ৩৯৯ জন। এ নিয়ে চীনে করোনায় আক্রান্ত হয়ে নিহতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৭২৩ জনে। এছাড়া মোট আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৪ হাজার ৫৯৮ জনে।

তবে চীনের স্বাস্থ্য কমিশন আশার কথা জানিয়ে বলেছে, করোনায় আক্রান্তের পর সুস্থ হয়ে ঘরে ফেরা মানুষের সংখ্যা বাড়ছে। শনিবার দেশটির স্বাস্থ্য কমিশন এসব তথ্য জানিয়েছে। খবর চায়না গ্লোবাল টেলিভিশন নেটওয়ার্ক ও পিপলস ডেইলি চায়নার।

শুক্রবার পর্যন্ত চীনের মূল ভূখণ্ড ছাড়াও হংকংয়ে ২৬ জন, ম্যাকাওয়ে ১০ জন এবং তাইওয়ানে ১৬ জন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়েছে। ২৭ হাজার ৬৫৭ জনকে পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে।

এছাড়া করোনায় আক্রান্ত হওয়া ২ হাজার ৫২ জন সুস্থ হয়েছেন এবং তাদেরকে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র দেয়া হয়েছে বলেও জানিয়েছে চীনের স্বাস্থ্য কমিশন।

এরই মধ্যে চীনের সকল প্রদেশে শনাক্ত হয়েছে করোনাভাইরাস। নিহতদের বেশিরভাগই হুবেই প্রদেশের। প্রদেশটির উহান শহর থেকেই বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়েছে এই ভাইরাস। সংক্রমণ ঠেকাতে হাসপাতাল নির্মাণ, করোনাভাইরাস শনাক্তের কিট আবিষ্কারে সরকারি অনুমোদনসহ সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে চীন। প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসে আতঙ্কে জনমানবশূন্য ভৌতিক এলাকায় পরিণত হয়েছে চীনের একেকটি গ্রাম ও শহর।

রোগীদের সেবা দিতে হিমশিম খাচ্ছে কর্তৃপক্ষ। উহান শহরে স্টেডিয়াম, কনফারেন্স সেন্টারসহ কয়েকটি ভেন্যুকে অস্থায়ী হাসপাতালে পরিণত করা হয়েছে। সেখানে কয়েক হাজার রোগীর চিকিৎসা দেবে চীন।

সম্প্রতি করোনাভাইরাস মোকাবেলায় বিশ্বের কাছে বিভিন্ন মেডিকেল সরঞ্জাম সহায়তার আহ্বান জানিয়েছে চীন। এছাড়া দেশটি এই ভাইরাস মোকাবেলায় শুরু থেকে তাদের অবহেলা ও দুর্বলতার কথা স্বীকার করেছে।

চীন থেকে ছড়িয়ে পড়া করোনাভাইরাস মালয়েশিয়া, থাইল্যান্ড, নেপাল, জাপান, সিঙ্গাপুর, দক্ষিণ কোরিয়া, শ্রীলঙ্কা, তাইওয়ান, ভিয়েতনাম, কম্বোডিয়া ছাড়াও অস্ট্রেলিয়া, কানাডা, ফ্রান্স, জার্মানি, জাপান, যুক্তরাষ্ট্রসহ অন্তত ২৩টি দেশে শনাক্ত হয়েছে।

বিশ্বব্যাপী স্বাস্থ্য জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছে বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থা ডব্লিউএইচও। বিভিন্ন দেশ বিমানবন্দরে সর্বোচ্চ নজরদারি জারি করেছে। এছাড়া প্রাথমিকভাবে কাউকে সন্দেহ হলে তাকে নজরদারিতে রাখা হচ্ছে।

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগীদের শরীরে প্রাথমিক লক্ষণ হিসেবে শ্বাসকষ্ট, জ্বর, সর্দি, কাশির মতো সমস্যা দেখা দেয়।