ঢাকা, শুক্রবার, ১৪ আগস্ট ২০২০ , , ২৪ জ্বিলহজ্জ ১৪৪১

করোনা মোকাবেলায় ক্রাইসিস ম্যানেজমেন্ট টিম গঠনের আহবান অধ্যাপক পারভেজের

স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট । সি এন এন বাংলাদেশ

আপডেট: এপ্রিল ১০, ২০২০ ৮:১৯ দুপুর

[addtoany]

চট্টগ্রাম :: করোনা ভাইরাসের বর্তমান পরিস্থিতিকে ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট কমিটি দিয়ে মোকাবেলা করা সম্ভব নয় বলে মন্তব্য করে এর জন্য ক্রাইসিস ম্যানেজমেন্ট টিম গঠন করার আহ্বান জানিয়েছেন বঙ্গবন্ধু গবেষণা কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ও এনবিইআর চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. সৈয়দ আহসানুল আলম পারভেজ।

ক্রাইসিস ম্যানেজমেন্ট টিম গঠন করার জন্য ইতোমধ্যে মুখ্য সচিবের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর সাথে যোগাযোগ করেছেন বলেও জানান তিনি।

অধ্যাপক পারভেজ বলেন, করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকানোর জন্য আমাদেরকে পর্যাপ্ত পরিমাণ ডাক্তার, হাসপাতাল, এ্যাম্বুলেন্স প্রস্তুত রাখতে হবে। অভুক্ত মানুষদের খাদ্যসামগ্রী দিতে হবে। রপ্তানিযোগ্য পণ্যের কারখানা চালু থাকবে কি থাকবেনা তা ঠিক করতে হবে। এসব কার্যক্রম সঠিকভাবে পরিচালনার জন্য পেশাজীবিদের নিয়ে ন্যাশনাল ক্রাইসিস ম্যানেজমেন্ট টিম গঠন করতে হবে। সেখানে মন্ত্রণালয়সহ ডাক্তার, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এবং রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ থাকবেন। এর জন্য আলাদা কোন মন্ত্রণালয়, গাড়ি বা অবকাঠামোর প্রয়োজন নেই। এই টিম করোনা পরিস্থিতি মোকাবেলায় প্রধানমন্ত্রীকে প্রতিদিন কি কি কাজ করতে হবে সে ব্যাপারে পরামর্শ দিবেন। এছাড়াও সকল মন্ত্রণালয়ের কাজের মধ্যে সমন্বয় তৈরী করবে এই টিম।

করোনা আতঙ্কের মধ্যেও গার্মেন্টস শ্রমিকদের সাথে মালিক পক্ষের অমানবিক আচরণে ক্ষোভ প্রকাশ করেন অধ্যাপক পারভেজ। তিনি বলেন, লাখ লাখ গরীব শ্রমিকদের দিয়ে গার্মেন্টস মালিকরা সম্প্রতি যে রোড মার্চ করিয়েছেন এটা আমাদের হিসেবকে উল্টে দিয়েছে। গত ৮ মার্চ দেশে প্রথম করোনা ভাইরাস শনাক্ত হওয়ার পর আমরা ধরে নিয়েছিলাম ১৪ দিনের মধ্যে আমরা একটা হিসেব পাবো। সরকার গত ২৬ মার্চ থেকে সাধারণ ছুটি ঘোষণা দেওয়ার পর আমরা ধরে নিয়ে ছিলাম এপ্রিলের ৫ থেকে ৭ তারিখের মধ্যে আমরা করোনা পরিস্থিতির কোন পর্যায়ে আছি তা বুঝতে পারবো। কিন্তু পোশাক শ্রমিকদের রাস্তায় নামানোর মধ্যদিয়ে যে পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে সে জন্য আমাদেরকে আরও অন্তত ১৪ দিন অপেক্ষা করতে হবে।

অধ্যাপক পারভেজ বলেন, এ মুহুর্তে আমাদেরকে দু’টি কাজ অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়ে করতে হবে। এর প্রথমটি হলো- স্রোতের পানির মতো যেন এক অঞ্চল থেকে আরেক অঞ্চলে করোনা ভাইরাস না ছড়ায় সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। দ্বিতীয়ত, যে এলাকায় করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়েছে সে এলাকা কঠোরভাবে লকডাউন করে দিতে হবে।