ঢাকা, শুক্রবার, ৫ জুন ২০২০ , , ১৩ শাওয়াল ১৪৪১

চকবাজার গেলো প্যারেড মাঠে, সিএমপি’র অনন্য উদ্যোগ

সি এন এন বাংলাদেশ

আপডেট: এপ্রিল ১৭, ২০২০ ১:৩৭ দুপুর

[addtoany]

নিউজ ডেস্ক, চট্টগ্রাম : করোনা ভাইরাস সংক্রমণ ও বিস্তার রোধে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ (সিএমপি) শুরু থেকেই নানামুখী উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। এবারের জনবান্ধব এবং স্বাস্থ্যকর একটি উদ্যোগ হচ্ছে খেলার মাঠে কাঁচাবাজার স্থানান্তর প্রক্রিয়া। এ কার্যক্রমের অংশ হিসেবে শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) নগরীর দ্বিতীয় বৃহত্তম কাঁচাবাজার চকবাজার কাঁচাবাজার স্থানান্তর করা হলো চকবাজারের প্যারেড মাঠে।

নগরীর অন্যান্য এলাকাতে পর্যায়ক্রমে উম্মুক্ত মাঠে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার উদ্দেশ্যে এরকম কাঁচাবাজার স্থাপনের প্রক্রিয়া অব্যাহত আছে। করোনা ভাইরাসের বিস্তার ও প্রতিরোধের লক্ষ্যে সিএমপি কর্তৃক স্থাপিত ও স্থানান্তরিত এসব কাঁচাবাজার নগরবাসীকে অনেকটাই স্বস্তি দেবে বলে আশা করা যাচ্ছে।

চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মোঃ মাহাবুবর রহমান বিপিএম, পিপিএম এর নির্দেশে উপ-পুলিশ কমিশনার (দক্ষিণ) এসএম মেহেদী হাসান, বিপিএম (বার), পিপিএম (বার) এর তদারকিতে এই কাঁচা বাজার স্থানান্তর প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়। এখান থেকে প্রয়োজনীয় কাঁচাবাজার করতে পারবে ঘরবন্দী মানুষ। তবে এখানেও সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার আহবান জানিয়েছে সিএমপি কমিশনার।

পুলিশ কমিশনার এর নির্দেশে একটি মডেল কাঁচাবাজার স্থাপনের প্রক্রিয়া হিসেবে গত কয়েকদিন যাবৎ চকবাজার থানার অফিসার ইনচার্জসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ চকবাজার কাঁচা বাজার সমিতির নেতাদের সাথে এবং ইজারাদারদের সাথে আলোচনা করেন। আলোচনার সিদ্ধান্ত মতে গত দুই দিন যাবত কাঁচা বাজার স্থানান্তর প্রক্রিয়া শুরু হয় এবং সকল দোকান মালিক এবং কাঁচা বাজার ব্যবসায়ীগনের সহায়তায় চকবাজারের প্যারেড মাঠে প্রায় ৩৫০টি অস্থায়ী কাঁচা ঘর নির্মাণ করা হয়। আজ (শুক্রবার) সকাল আটটা থেকে স্থানান্তরিত এই কাঁচা বাজারে বেচাকেনা শুরু হয়।

এ কাঁচা বাজারের একটি বিশেষত্ব হচ্ছে এটি একটি একমুখী চলাচলের বাজার। মাঠে দুইটি গেইট আছে। একটি গেট দিয়ে ব্যবসায়ী ও ক্রেতাগণ প্রবেশ করবেন এবং কেনাকাটা শেষে অন্য একটি গেট দিয়ে বের হয়ে যাবেন। এই প্রক্রিয়ায় একজন আরেকজনের মুখোমুখি হবে না এবং ভাইরাস সংক্রমণের সম্ভাবনা কম থাকবে।

স্থানান্তরিত এই বাজারে চকবাজার এলাকাসহ সংলগ্ন বিভিন্ন এলাকার অসংখ্য মানুষ স্বাস্থ্যকর পরিবেশে শাকসবজি, মাছ, মাংস সহ নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি ক্রয় করতে পারবেন। বাজারটি সকাল ৮ টা থেকে বিকাল ৫ টা পর্যন্ত খোলা থাকবে এবং সামাজিক দূরত্ব রক্ষার উদ্দেশ্যে করোনা ভাইরাস সংক্রমনের সম্ভাবনা যতদিন থাকবে ততদিন এই বাজারের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।