ঢাকা, শুক্রবার, ১৪ আগস্ট ২০২০ , , ২৪ জ্বিলহজ্জ ১৪৪১

‘ছেলের লাশ দেখেই সামিরাকে লাথি মারেন সালমানের মা’

স্টাফ রিপোর্টার, ঢাকা । সি এন এন বাংলাদেশ

আপডেট: ফেব্রুয়ারি ২৪, ২০২০ ১:৪৮ দুপুর

[addtoany]

অবশেষে নায়ক সালমান শাহের মৃত্যুর রহস্য উন্মোচন করার দাবি জানিয়েছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। সংস্থাটির দাবি, সালমানকে হত্যা করা হয়নি, নায়িকা শাবনূরের সঙ্গে তার সম্পর্কের জের ধরে পারিবারিক কলহের কারণে তিনি আত্মহত্যা করেন।

সোমবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে সংবাদ সম্মেলন করে এ মামলার তদন্ত প্রতিবেদন তুলে ধরে এমন তথ্য জানান পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) প্রধান বনজ কুমার মজুমদার। এসময় সালমানের মায়ের যে সামিরার প্রতি অনেক ক্ষোভ ছিল তা বার বার প্রকাশ হয়।

বনজ কুমার মজুমদার বলেন, সামিরার সঙ্গে সালমান শাহের সম্পর্ক প্রথম থেকেই মেনে নেননি তার মা নীলা চৌধুরী। আর এ কারণে কয়েকবার আত্মহত্যাও করতে চেয়েছিলেন সালমান শাহ। পরবর্তীতে সালমান-সামিরা বিয়ে করলেও তার মায়ের সঙ্গে থাকেননি। কারণ, নীলা চৌধুরী সামিরার গায়ে হাত তুলতো। আর এ কারণে সালমান নিজেই সামিরাকে নিয়ে বাসা থেকে বের হয়তে আলাদা থাকতেন।

তিনি আরো বলেন, এছাড়া ঘটনার দিন, সালমানের গলার ফাঁস থেকে ছাড়িয়ে আনার পর বেলা আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে সালমান শাহকে ধরাধরি করে পাশের বেডরুমে শোয়ানো হয়। সামিরা মাথায় পানি দেন, ডলি ও মনোয়ারা তেল গরম করে সালমানের বুকে, হাতে ও পায়ে মালিশ করেন। খবর পেয়ে দারোয়ান দেলোয়ার সালমান শাহ’র ফ্ল্যাটে ছুটে আসেন।

এরপর সালমানের বাবা, মা ও ভাইসহ অন্যান্য স্বজনরা ছুটে আসেন। এসময় সালমানের মা রুমে প্রবেশ করেই সামিরাকে লাথি মেরে বলেন, তুই আমার ছেলেকে হত্যা করেছিস! এরপরে সালমানের ভাইও তার গায়ে হাত তোলেন।

এরপরেই হলি ফ্যামিলি হাসপাতালে নেওয়া হয় সালমানকে। হলি ফ্যামিলি থেকে সালমান শাহকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।