ঢাকা, বুধবার, ১২ আগস্ট ২০২০ , , ২২ জ্বিলহজ্জ ১৪৪১

ভারতের চিকিৎসা সামগ্রীর দিত্বীয় চালান দেশে পৌঁছেছে

সি এন এন বাংলাদেশ

আপডেট: এপ্রিল ২৬, ২০২০ ১১:৩৪ সকাল

[addtoany]

করোনাভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে বাংলাদেশকে সহযোগিতার অংশ হিসেবে এক লাখ হাইড্রোক্সিক্লোরোকুইন ট্যাবলেট এবং ৫০ হাজার জীবাণুমুক্ত সার্জিক্যাল ল্যাটেক্স গ্লাভস সমন্বিত জরুরি চিকিৎসা সামগ্রী দিয়েছে ভারত। রোববার (২৬ এপ্রিল) ঢাকায় ভারতের হাইকমিশনার রীভা গাঙ্গুলি দাশ এ চিকিৎসা সামগ্রী বাংলাদেশ সরকারের সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধিদের কাছে হস্তান্তর করেন। এটি বাংলাদেশের জন্য ভারতের সহায়তা সামগ্রীর দ্বিতীয় চালান।

এর আগে প্রথম চালান গত ২৫ মার্চ পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আবদুল মোমেনের কাছে হস্তান্তর করা হয়। এ বিষয়ে ভারতের হাইকমিশনের পক্ষ থেকে বলা হয়, ভারতের ‘প্রতিবেশী প্রথমে’ নীতির অংশ হিসেবে এবং এই অঞ্চলের প্রতি ভারতের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে জরুরি চিকিৎসা সামগ্রী বাংলাদেশকে দেয়া হচ্ছে। এই সহায়তা এসেছে সার্ক কোভিড-১৯ জরুরি তহবিলের আওতায় এবং কোভিড-১৯ এর বিস্তার রোধে বাংলাদেশ সরকারের প্রচেষ্টায় সাহায্য করার উদ্দেশ্যে। ভারতের দেয়া এ চিকিৎসা সামগ্রী কেন্দ্রীয় মেডিকেল স্টোর ডিপোতে পাঠানো হয়েছে। এর আগে বিমান বাংলাদেশের সহায়তায় সামগ্রীগুলো ভারত থেকে আনা হয়।

এর আগে ৩০ হাজার সার্জিক্যাল মাস্ক এবং ১৫ হাজার হেড-কভার সমন্বিত জরুরি চিকিৎসা সহায়তার প্রথম চালান ২৫ মার্চ ২০২০ বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ.কে. আবদুল মোমেনকে হস্তান্তর করা হয়।

ঢাকাস্থ ভারতীয় দূতাবাসের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়,    ভারতের স্বাস্থ্যসেবা বিশেষজ্ঞরা কোভিড-১৯ পরিচালনা কৌশল, দক্ষতা বৃদ্ধি, সেরা অনুশীলনের বিনিময় এবং এ সম্পর্কিত দিকগুলি নিয়ে সার্ক দেশগুলোর স্বাস্থ্যসেবা দানকারীদের জন্য স্বল্পদৈর্ঘ্য ওয়েবিনার আকারে ই-আইটিইসি প্রশিক্ষণ মডিউল ডিজাইন করেছেন। ১৭-২১ এপ্রিল অল ইন্ডিয়া ইনস্টিটিউট অফ মেডিকেল সায়েন্সেস, রায়পুর এই অনলাইন কোর্সটি পরিচালনা করে যেখানে বাংলাদেশের ৯০ জন স্বাস্থ্যকর্মী অংশ নেন। ভারত সরকারের আইটিইসি উদ্যোগের আওতায় ২৭ এপ্রিল–০৬ মে, ২০২০ পর্যন্ত ভারতের চন্ডীগড়ের পোস্ট গ্র্যাজুয়েট ইনস্টিটিউট অফ মেডিক্যাল এডুকেশন এন্ড রিসার্চ কর্তৃক দ্বিতীয় অনলাইন কোর্সের আয়োজন করা হচ্ছে। বন্ধু ও প্রতিবেশী হিসেবে প্রতিকূল সময়ে ভারত বাংলাদেশের পাশে দাঁড়াতে প্রস্তুত। ভারত ও বাংলাদেশ ঐক্যবদ্ধভাবে কোভিড-১৯ সংক্রমণে সৃষ্ট পরিস্থিতি কাটিয়ে উঠতে পারবে।