ঢাকা, সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২০ , , ২২ জ্বিলকদ ১৪৪১

‘হাসপাতাল জিম্মিকারী দুই চিকিৎসক নেতাকে গ্রেফতার দাবি’

সি এন এন বাংলাদেশ

আপডেট: জুন ৪, ২০২০ ৭:০৮ দুপুর

[addtoany]

নিউজ ডেস্ক, চট্টগ্রাম :: চট্টগ্রামের বেসরকারী হাসপাতাল ও ক্লিনিকগুলোতে সাধারণ মানুষের চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করার দাবীতে মানববন্ধন পালন করেছে কনজ্যুমার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব) এবং চট্টগ্রামে করোনা প্রতিরোধে নাগরিক সমাজের যৌথ আয়োজিত মানববন্ধন থেকে দুই চিকিৎসক নেতাকে গ্রেফতারের দাবি করা হয়েছেে।

বৃহস্পতিবার (৪ জুন) বিকেলে চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের আয়োজিত মানববন্ধনে মহানগরীর কোতোয়ালী থানা আওয়ামীলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক হাসান মনসুর বলেছেন, ‘’আমরা গড়পরতা সব চিকিৎসককে দোষী করছি না। যারা রাজনীতির নামে, পেশাজীবী সংগঠনের নামে জনগণকে জিম্মি করেছে, তাদের হুঁশিয়ার করতে চাই। কোনো অবস্থাতেই আমরা চট্টগ্রামবাসীকে কিছু ডাক্তারের হাতে জিম্মি হতে দেব না। একজন বিএমএ নেতার অন্যায় আর দম্ভের কারণে পুরো চট্টগ্রামবাসী জিম্মি হতে পারে না। উনাকে বলব, আপনি নিজেকে শোধরান। সিএমপি কমিশনারকে বলব, আপনি অনেক ভালো কাজ করেছেন। যে বিএমএ নেতার কারণে চট্টগ্রামের চিকিৎসা ব্যবস্থায় নৈরাজ্য সৃষ্টি হয়েছে তাকে গ্রেফতার করুন।’

চট্টগ্রামের মানুষ রোগাক্রান্ত হয়ে এই হাসপাতাল থেকে ঐ ক্লিনিক অসহায়ভাবে ছোটাছুটি করছে, কিন্তু পাচ্ছেন না হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার সুযোগ। ডাক্তার নামধারী কতিপয় পেশাজীবি নেতার, খেয়ালখুশি-মর্জিমাফিক ভাবে চলছে চট্টগ্রামের চিকিৎসা সেবা। চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করতে সরকারের হস্তক্ষেপ চাই। চিকিৎসা বঞ্চিত হলে নগরবাসীকে সাথে নিয়ে এদের বিরুদ্ধে আন্দোলনের ঘোষনা করা হবে। বেসরকারি হাসপাতাল-ক্লিনিক কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগ করা হয়েছে।

মানববন্ধনে ক্যাবের চট্টগ্রাম বিভাগীয় সাধারণ সম্পাদক কাজী ইকবাল বাহার ছাবেরী বলেন, ‘বেসরকারি হাসপাতালের মালিক-চিকিৎসকদের অনেকেই সরকারি হাসপাতালেও চাকরি করেন। তাদের কারণে মানুষ সরকারি হাসপাতালেও চিকিৎসা পায় না। আবার সংকটের সময়ে বেসরকারি হাসপাতালেও চিকিৎসা পাচ্ছে না। বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিকের মালিকরা চট্টগ্রামের শুধু স্বাস্থ্যখাত নয়, চট্টগ্রামবাসীকেও জিম্মি করে ফেলেছে।

মহানগর ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক নুরুল আজিম রনি বলেন, ‘দুজন ডাক্তার চট্টগ্রামের চিকিৎসা সেবাকে জিম্মি করেছে। একজন ডা. ফয়সাল এবং আরেকজন ডা. লিয়াকত আলী। তাদের গ্রেফতার করতে হবে। কোনো বেসরকারি হাসপাতালের মালিক-ডাক্তার সরকারি হাসপাতালে কর্মরত থাকতে পারবেন না। তাদের কারণে মানুষ চিকিৎসা পাচ্ছে না। তারা সরকার থেকে বেতন নেয় কিন্তু চিকিৎসা দেয় না। তারা শুধু তাদের ক্লিনিকের উন্নয়ন আর মুনাফা চায়। এদের প্রতিরোধ করতে হবে। প্রয়োজনে বেসরকারি হাসপাতাল-ক্লিনিক ঘেরাও হবে।’ এতে সাবেক ছাত্রলীগ নেতা সাজ্জাদ হোসেন, নারীনেত্রী নবুয়ত আরা সিদ্দিকা, চট্টগ্রাম সাংবাদিক ইউনিয়নের সদস্য মহররম হোসাইনও বক্তব্য রাখেন। তারা সবাই ডাক্তার ও হাসপাতাল মালিকদের মানবিক হওয়ার আহ্বান